Monday, August 21, 2017

কৃষ্ণচূড়া বলে আয় বসুধারা আজকে আমরা সাজি
বসুধারা বলে, না খেলবো না তোর সাথে
তুই ভীষণ পাজি,
কৃষ্ণচূড়া বলে, কেন এমন বলিস,
আজ কত দিন বাদে দেখা,
বসুধারা বলে, কিছুই বোঝে না যেন,
কি ভীষণ নেকা।
কৃষ্ণচূড়া বলে বল না ভাই কেন এতো রাগ?
কি হয়েছে তোর আজ ?
বসুধারা বলে কি আর বলবো,
দেখেছিস তোর সাজ,
কেমন রাঙা হয়ে সেজেছিস,
আর আমায় দেখ,
কৃষ্ণচূড়া হো হো করে হেসে বলে,
আমার গায়ে রাঙা ফুল, সে তো ক্ষণস্থায়ী,
কি যে ভাবিস আরে ধুর,
আর তোর, গলায় যে ভরা সুর,
সে তো সর্বকালের।
রাগ করিসনা বোন আমার
আয় কাছে আয়।
বসুধারা কাছে যায়, আর তোলে ছবি।
রং আর সুরের মেলা,
মুচকি হাসে কবি।


Tuesday, July 4, 2017

কতদিন দেখি না তোমায় লজ্জাবতী,
আজ হটাৎ ছবিতে দেখে মনে পরে গেলো
পুরোনো সব কথা,
বড় প্রিয় ছিলে তুমি আমার,
কত খেলেছি তোমার সাথে;
একটু ছোঁয়াতেই তুমি কেমন নুইয়ে পড়তে।
অনেক চেষ্টা করেছি তোমায় এ শহরে আনতে,
জানি তুমি  পারবেনা সইতে,
এ বড় কঠিন শহর।
দেখা হবে আবার,
যখন ফিরবো মাটির কাছে।



Wednesday, June 28, 2017

অনেক হয়েছে, এবার চল ফিরে চল
কতদূর  চলে এসেছি, চারিদিক ধুধু প্রান্তর,
একা মন আর পায় না যে বল
চল এবার ফিরে চল।

কি হবে শব্দের জাল বুনে,
কথার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত মন
কি হবে ছবিতে নিজেকে দেখে
নকলের ভিড়ে হারিয়ে যাবে যখন।

ওরে মন আর নয়, চল এবার ফিরে চল।

হাতের তালুতে গোটা বিশ্ব কে ধরি
কল্পনাতে নিজের দুনিয়া গড়ি
এতো কেন হয় সব হারাবার  ভয়
ভিড়ের মাঝেও একা  কেন মনে হয়।

আর নয় আর নয়, ওরে মন চল এবার ফিরে চল।

যেথা কুলু কুলু নদী বলে আয়
পাখির কুজনে মনে জাগে বিস্বয়
ঝরা পাতা কানে কানে বলে যায়
আয় ফিরে আয়।

ওরে মন আর নয়, চল এবার ফিরে চল।
অনেক তো হলো এবার চল ফিরে চল।













Wednesday, February 22, 2017

আমার প্রতিবেশী দুটো সাপ পুষেছিলো আমাকে ভয় দেখাবার জন্য।  মাঝে মাঝে দেওয়াল টপকে এসে ফোঁস ফোঁস করে ভয় দেখিয়ে যেত। বহু বছর ধরে এই খেলা চলছে।  বারণ করেছি অনেকবার। আমার নেউল রেগেগেলে সাপের ঘাড় মটকে রেখে দেবে, এ  কথাও বলেছি।  কে কার কথা শোনে। বললেই বলবে এই সাপ আমার নয়। দিন যায় সাপেরাও বংশ বিস্তার করে। প্রতিবেশী ও খুশি আমায় ভয় দেখিয়ে। যদিও এর মধ্যে দু চারটে সাপ মারা পড়েছে আমার কাছে। এবার কি হলো, হঠাৎ করে সাপেরা আমার প্রতিবেশীর লোককেই ছোবল মারতে শুরু করলো।

তাই কি আর করা, এখন সে সর্প নিধন যজ্ঞ শুরু করেছে।

বি: দ্র: এর সাথে পাকিস্তানের কোনো সম্পর্ক নেই। 

Sunday, January 22, 2017

অনেকদিন আগে গল্পের ছলে বলেছিলাম জীবনটা অনেকটা পটোলের মতো। শুরু হয় এক বিন্দু থেকে শেষ হয় এক বিন্দুতে, মাঝখানে ফুলে ফেঁপে ওঠার সময়, সেটা যে ভাবেই হোক মানসিক, শারীরিক, আর্থিক, সামাজিক, তখন ছুটে চলার সময় পেছনে তাকাবার সময় হয় না। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে সব পাল্টাতে থাকে।  ছোটবেলার কথা পুরোনো দিনের কথা হঠাৎ হঠাৎমনে আসে কোনো এক সূত্র ধরে, আর ভাবুক করে তোলে।
আজ রবিবার, ছুটির দিন, সকালে উঠে  চা নিয়ে রেডিও চালিয়েছি, এখানে, দিল্লিতে বাংলা এফ এম আসে না তাই অনলাইন এ বাংলা চালিয়েছি। কত দিন পর মনে পরে না, একটা গান আমায় নিয়ে গেলো কোন সুদূরে, সেই ভাসা ভাসা স্মৃতি, কেমন যেন অসহায় ভাবুক করে দিলো, ছোখ ঝাপসা হয়ে এলো।
রেডিও তে বাজছে 'নিঝুম ও সন্ধ্যায়, পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়',   আবছা ছবিতে দেখলাম মেজদি আমায় কোলে নিয়ে ঘুরে ঘুরে খাওতে খাওতে এই গান টা গাইছে। আমার আবদার ছিল গান শুনে শুনে, পাখি দেখে দেখে খাবো। আর সেই কাজটা মেজদি পালন করতো। ভালো মতো বুদ্ধি হওয়ার আগেই মেজদির বিয়ে হয়ে যায়। আমি ও ভুলে যাই সেই সব দিন, কিন্তু কোথায় যেন সব লুকিয়ে থাকে, সময় সময় ছবি হয়ে ফিরে আসে আর ভাবুক করে তোলে।