Wednesday, November 9, 2016
Thursday, November 3, 2016
ইচ্ছাশক্তি
তখন ক্লাস সেভেন কি এইট এ পড়ি। গ্রামেই জন্ম গ্রামেই বড়ো হওয়া, তাই শহরের কোনো হাওয়া গায়ে লাগে নি তখনো। আমাদের পি ডাব্লউ ডি তে বদলি হয়ে আসেন আমাদেরই পারিবারিক পরিচিত অমল দা ও পরিবার। অমলদার ছেলে পার্থ স্কুলে ভর্তি হয় আমার থেকে এক ক্লাস নিচে। তখন পার্থর একমাত্র বনধু বলতে আমি। যেমন দেখতে, তেমন স্মার্ট, সব আধুনিক জামা কাপড়, আমার যখন ঢোলা প্যান্ট চালিয়ে যাচ্ছি, পার্থর তখন টাইট আধুনিক প্যান্ট। ওর একটা বাইক ছিল সেটা চড়ে দুজনে ঘুরে বেড়াতাম। একদিন ওদের বাড়িতে দুজনে খেলছি, হটাৎ রিক্সা থেকে একটি পরী ও এক যুবক নামে ওদের বাড়ির সামনে, ওর সদ্য বিবাহিত মামা ও মামী কোলকাতা থেকে বেড়াতে আসে। এতো সুন্দর দেখতে মহিলা আমি জীবনে কখনো দেখি নি। আমি অবাক হয়ে যাই, হারিয়ে যাই। ধারণা বদ্ধমূল হয়, কোলকাতায় এমন সুন্দর মেয়েরাই থাকে। কোলকাতা যদিও তখন স্বপ্ন। কোনোদিন যেতে পারবো কিনা জানিনা। কিন্তু মনে মনে ঠিক করি বিয়ে যদি কোনোদিন করি তো কোলকাতার মেয়েকেই করবো।
আজ হঠাৎ অফিসের পথে কেমন ঝলকে উঠলো ঘটনাটা। ষোলো বছর হলো সংসার কোলকাতার মেয়ের সাথে।
Thursday, July 28, 2016
Friday, July 22, 2016
বসন্ত
শুভাশিষ মুন্সী
ভূমিকা
[আজ আমরা এক কঠিন পরিস্থিতির সামনে এসে দাড়িয়েছি, আমাদের উন্নতির সাথে সাথে প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারাতে বসেছে। জঙ্গল কেটে শহর তৈরী হচ্ছে, জলস্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। খরা, বন্যা, ভূমিকম্পে বিদ্ধস্ত হচ্ছে জনজীবন। ঠিক এই সময়, যখন বসন্তের রঙিন মেলা বসে, প্রকৃতি সেজে ওঠে নতুন সাজে, এই নির্বাক গাছপালা যদি বাঙময় হয়ে ওঠে কি হবে তাহলে ? চলুন আমরা শুনি তিনটি গাছ পলাশ, কৃষ্ণচূড়া ও বট এর কথোপকথন। ]
চরিত্র: পলাশ, কৃষ্ণচূড়া ও বট
[ পলাশ গান ধরে
বাতাসে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা,
কারা যে ডাকিল পিছে,
বসন্ত এসে গেছে ।
মধুর অমৃতবাণী, বেলা গেল সহজেই,
মরমে উঠিল বাজি,
বসন্ত এসে গেছে ।
থাক তব ভুবনের, ধুলি মাখা চরণে,
মাথা নত করে রব;
বসন্ত এসে গেছে ।]
কৃ: কি রে পলাশ কি হলো তোর্ ?
সকাল সকাল ধরেছিস যে গান।
প: কি বলব তোমায়,
আজ আমার আনন্দে ভরপূর প্রাণ।
কৃ: কি হয়েছে শুনি,
কিসের জন্যে মন এত ফুরফুরে ?
প: শেষ যে পাতাটা ছিল; তা একটু আগেই গিয়েছে ঝরে।
কুড়ি গুলো সব ফুটতে শুরু করেছে,
আমার চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ আছে ?
কৃ: দেখ, দেখ, আমারও সারা শরীর লাল ফুলে ছেয়ে গেছে।
প: চারি দিকে চেয়ে দেখো কৃষ্ণচূড়া, কেমন রঙের মেলা বসেছে,
কৃ: সবাই ভীষণ খুশি আজ,
ছোট বড় সবার গায়ে নতুন সাজ।
প: মনে পড়ে রবিঠাকুর সেই গান।
[দুজনে গান: নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগল,
বসন্তে সৌরভের শিখা জাগল ॥]
কৃ: মানুষের সাথে আমাদের দুরুত্ব দিন দিন কেমন বেড়েই চলেছে,
আমাদের নিয়ে আর গান, কবিতায় লেখে না
প: তুমি শোনোনি; আজ কালকার গান,
একবার শুনলে দু'হাতে চেপে ধরবে কান।
কৃ: কেমন, শুনি, শুনি
প: [গান: কুন্ডি মত খারকাও রাজা, সিধে অন্দর আও রাজা
কুলসা পারফিউম লাগাকে মুড্ বানাও তাজা তাজা ]
ব: (কেশে) একেই দূষণে শ্বাস কষ্ট,
তারউপর পাখিদের চেচামেচিতে কান নষ্ট,
আজ গেল বুঝি প্রাণ।
কারা গায় মানুষের এই বিচ্ছিরি গান,
কৃ: বটদাদা, আমরা গাইছিলাম।
প: আচ্ছা বট দাদা, আমরা মানুষের মত হলে,
কি হবে?
ব: হু, ভালো প্রশ্ন,
চল আজ তবে সব কাজ থাক,
একটু মানুষের নকল করা যাক।
ঘন্টা বাজলে শুরু, ঘন্টা বাজলে শেষ,
কিন্তু মনে যেন না থাকে এর রেশ।
মনে থাকবে? ঘন্টা বাজলে শুরু আর ঘন্টা বাজলেই শেষ।
[ঘন্টা বাজে]
কৃ: আরে এই পলাশ, কাল আমার নতুন সেলফিটা দেখেছিস?
জানিস পেয়েছি মাত্র পঞ্চাশটা লাইক।
হোয়াটসঅপ গ্রূপেও পাঠিয়েছি।
আচ্ছা, তুই নাকি আজকাল ব্যবহার করছিস হাইক?
প: ঠিকই শুনেছ, ওই গ্রুপএ সবার বড্ড চাল,
এই তো শিমুল বলল, ছার তো কৃষ্ণচূড়া কে,
দেখেছিস আমার ফুল ওর থেকেও কত বেশি লাল।
কৃ: সেই জন্যেই আমায় দেখে ডাল ঘুরিয়ে থাকে,
ওই তো কটা ফুল, তাও তো যায় ঝরে,
বুঝবে মজা,
যেদিন বট দাদা কে বলে; দেব জল বন্ধ করে।
প: তুমি দেখেছ মাধবীলতা কে,
এ দিকে তো রঙিন ফুল সারা গায়,
অথচ জানেই না; নিজের পায়ে কি ভাবে দাঁড়াতে হয়।
কৃ: আরে ওই যে লতা, কি যেন নাম?
যার নেই ফুল নেই পাতা,
আমার গা বেয়ে একটু আলো পেতে চায়,
যেই দিলাম সুগোগ,
ওমনি আমার থেকেই খাবার চুরি করে খায়।
প: বট দাদাই কি কম যায়
মিষ্টি কথা বলে চারদিকে ঝুরি নামিয়ে
যতটা পারে জায়গা দখল করে।
কৃ: এমনিতেই জলের অভাব,
আর চুপি চুপি সব টেনে নেয়,
কেমন নেতা নেতা ভাব।
ব: নমস্কার! আমি বট নেতা বলছি,
এসেছি নতুন কিছু নিয়ম নিয়ে।
সব ছোটো ছোটো গাছ, আমার গায়ে যাদের বাস,
অনেক হয়েছে, এবার অন্য রাস্তা ধর,
এখন থেকে নিজেরাই নিজেদের ব্যাবস্থা কর।
তাছাড়া, পাখিদের ভিড় আর সামলানো যাচ্ছে না,
তাই কাল থেকে আবার অড-ইভেন চালু হবে,
অড দিনে বসবে কাক,
আর ইভেন এ অন্য পাখিরা সুযোগ পাবে।
প: শুধু কাক এত সুযোগ পাবে কেন?
ব: কাক ফল ছড়িয়ে করে আমার প্রচার,
তাই ওরা আমার প্রিভিলেজড কাস্টমার।
কৃ: তুমি তো নিজেকে দরদী বল,
এটা তবে কি ধরনের বিচার হলো?
ব: কে কে এই কথা বলে?
কৃ: আমি নয় আমি নয়,
কানাঘুসো শুনি ওই পাতাবাহারের দলে।
ব: তবে শোনো, বলতে হবে 'জয় বট পিতার জয়',
গাছদ্রোহী হওয়া মোটেই ভালো কথা নয়।
প: কৃষ্ণচূড়া হাওয়া যে অন্য দিকে বয়, এখন উপায়?
কৃ: পলাশ শুনেছিস,
ওই কাঁটা গাছ গুলো বলে বেড়েছে অসহিষ্ণুতা।
প: দাড়াও না বট দাদার কানে গেলে,
বুঝবে শেকড়ে শেকড়ে কত ব্যথা।
ব: পাতায় পাতায় খবর ছড়িয়ে দাও,
আঁধার কার্ড চাই পেতে সূর্যের আলো
আর যারা থাকে দূরে,
জানাও তাদের টুইটারে।
কৃ: বটসাথীরা বলে দেব কে কত টুকু পাবে জল,
প্রথম সুযোগ তাদের, যাদের ধরে ফল।
বাকিরা শেকর নিয়ে লাইন দেবে,
কেউ পাবে কেউ খালি হাতে বাড়ি যাবে।
প: কি হবে ওদের? ঘাস আর ছোটো ছোটো সব চারা?
ব: যাবে, মারা যাবে, কিন্তু নিয়ম তো পালন করতে হবে।
কৃ: সবুজ ছাড়া যাদের পাতা লাল বা অন্য,
কঠোর বেবস্থা হবে তাদের জন্য।
প: তাই হয়োনা অবুঝ, পাতা সবার হওয়া চাই সবুজ।
কৃ: মানুষ গুলোকে করা যাবে না মাফ,
আমাদের মেরে জঙ্গল করছে সাফ।
প: তাই ওদের মতই খেলব ওদের সাথে,
ব: ঠিক বলেছিস, অক্সিজেন তো আমাদেরই হাতে।
প: দাও না কাল থেকে কম করে,
দেখবে কেমন আমাদের ছায়ায় ছায়ায় ঘোরে।
[শেষের ঘন্টা বাজে]
কৃ: না না আর নয়, ভয়াবহ এ অভিনয়,
প: মানুষের মতো বুদ্ধি যেন না হয়।
ব: এত সহজেই হতে চাই না শেষ,
যেমন আছি নির্বাক, নিশ্চল তেমন থাকাই বেশ।
প: গান [আমাকে আমার মতো থাকতে দাও,
আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি।
যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই থাক,
সব পেলে নষ্ট জীবন।
তোমার এই দুনিয়ার ঝাপসা আলোয়,
কিছু সন্ধ্যের গুড়ো হওয়া কাচের মতো।
যদি উড়ে যেতে চাও তবে গা ভাসিয়ে দাও,
দূরবীণে চোখ রাখবো না না না (না না না না না না না)।]
ব: কোথায় আর থাকতে দিলো,
তবে জানিস, মানুষের এই গানটা বেশ ভালো।
কৃ: আজ কোথায় চলেছে ওরা?
কৃ: কিসের পেছনে ছোটে, কি হারাবার ভয়?
যন্ত্রণা আর বিদ্বেষ কেন এত জমা হয়?
প: ওদের তো অনেক ভালো গুণ ও ছিলো,
কৃ: আবার আমাদের কাছে ফিরে আসতে বলো।
ব: ওহে মানুষ শুনতে পাও কি তুমি,
অনেক হয়েছে কথা অনেক হয়েছে চলা।কৃ: একটু ছায়ায় বোস, হোক ভাবনায় কথা বলা।
ব: পাতায় পাতায় কান পেতে শোনো বাতাসের গান,
সকালের ভেজা ঘাসে হেটে যাও বহুদূর,
কৃ: পিঠ পেতে শুয়ে দেখো খোলা আকাশ,
ব: চাঁদের আলোতে স্নান কর একবার,
কৃ: ফিরতেই হবে প্রকৃতির কাছে বারবার।
ব: পাতার মত ঝরে যাক জমে থাকা যন্ত্রণা বিদ্বেষ,
সবাই: বসন্ত আজ আসুক আবার, শুরু হোক হয়ে শেষ।
[গান: আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে,
আমার মুক্তি ধুলায় ধুলায় ঘাসে ঘাসে ॥
দেহমনের সুদূর পারে হারিয়ে ফেলি আপনারে,
গানের সুরে আমার মুক্তি ঊর্ধ্বে ভাসে ॥
আমার মুক্তি সর্বজনের মনের মাঝে,
দুঃখবিপদ-তুচ্ছ-করা কঠিন কাজে।
বিশ্বধাতার যজ্ঞশালা আত্মহোমের বহ্নি জ্বালা—
জীবন যেন দিই আহুতি মুক্তি-আশে। ]
সমাপ্ত
Monday, July 4, 2016
Monday, February 8, 2016
১২ বছর অনেক না এক মুহূর্ত?
অঙ্কের হিসেবে ১২ বছর মানে ১৪৪ মাস যা প্রায় ৪৩২০ দিন অথবা ১০৩৬৮০ ঘন্টা। কিন্তু গীতার কাছে তা এক মুহূর্ত। এত দিনের প্রচেষ্টা, শরীরের প্রতিটি কোষের প্রাণ শক্তি দিয়ে, জীবনের ওঠাপড়ার মাঝে নিংড়ে নেওয়া ভালবাসা দিয়ে তিলে তিলে বড় করে তোলা একটি প্রাণ আজ স্পন্দন হীন। সে আজ সুধু মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখা কিছু ছবি। দুর্ঘটনায় স্বামী চলে যাবার পর, যার জন্যে নতুন করে বাঁচা, সে আজ স্কুলের বই খাতায়, আলমারি ভর্তি জামাকাপড়ের মাঝে স্মৃতি।
গীতা ডিসেম্বর এ তার দুই ছেলে নিয়ে হিমাচলে যায় একটি বিয়েতে। মাঝে একদিন ঘুরতে বের হয়। গাড়ি ধেয়ে যায় খাদে। দুই ছেলে ঝাপ দেয়, একজন সামলে নিলেও দ্বিতীয় জনের মাথা ধাক্কা খায় পাথরে। সেখানেই সব শেষ। বারো বছর আগের সেই প্রথম দিন থেকে শেষ সময় পর্যন্ত প্রতি মুহুর্তের ছবি এক মুহুর্তে চোখের সামনে ভেসে ওঠে, গীতা চোখ বন্ধ করে। দু মাস মৃত্যুর সাথে লড়াই করে গীতা সেরে ওঠে, আবার আগের মত অফিস যায়, হাসি মুখে কথা বলে। সেই ১২ বছর বা ১৪৪ মাস অথবা ১০৩৬৮০ ঘন্টার প্রতিটি ক্ষণ মনের কোনো এক কোন সযত্নে লুকিয়ে রাখে।
অঙ্কের হিসেবে ১২ বছর মানে ১৪৪ মাস যা প্রায় ৪৩২০ দিন অথবা ১০৩৬৮০ ঘন্টা। কিন্তু গীতার কাছে তা এক মুহূর্ত। এত দিনের প্রচেষ্টা, শরীরের প্রতিটি কোষের প্রাণ শক্তি দিয়ে, জীবনের ওঠাপড়ার মাঝে নিংড়ে নেওয়া ভালবাসা দিয়ে তিলে তিলে বড় করে তোলা একটি প্রাণ আজ স্পন্দন হীন। সে আজ সুধু মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখা কিছু ছবি। দুর্ঘটনায় স্বামী চলে যাবার পর, যার জন্যে নতুন করে বাঁচা, সে আজ স্কুলের বই খাতায়, আলমারি ভর্তি জামাকাপড়ের মাঝে স্মৃতি।
গীতা ডিসেম্বর এ তার দুই ছেলে নিয়ে হিমাচলে যায় একটি বিয়েতে। মাঝে একদিন ঘুরতে বের হয়। গাড়ি ধেয়ে যায় খাদে। দুই ছেলে ঝাপ দেয়, একজন সামলে নিলেও দ্বিতীয় জনের মাথা ধাক্কা খায় পাথরে। সেখানেই সব শেষ। বারো বছর আগের সেই প্রথম দিন থেকে শেষ সময় পর্যন্ত প্রতি মুহুর্তের ছবি এক মুহুর্তে চোখের সামনে ভেসে ওঠে, গীতা চোখ বন্ধ করে। দু মাস মৃত্যুর সাথে লড়াই করে গীতা সেরে ওঠে, আবার আগের মত অফিস যায়, হাসি মুখে কথা বলে। সেই ১২ বছর বা ১৪৪ মাস অথবা ১০৩৬৮০ ঘন্টার প্রতিটি ক্ষণ মনের কোনো এক কোন সযত্নে লুকিয়ে রাখে।
Monday, January 18, 2016
মেট্রো ডায়েরি -১
মেট্রো স্টেশনে পৌছতেই ভিড়ে ঠাসা ট্রেন এসে দাড়ালো। কোনভাবে ব্যাগ সামলে দরজা দিয়ে ঢুকতেই পেছন থেকে কেউ একজন বলে উঠলো, "আঙ্কেল থোড়া সাইড দি জিয়ে"। একেই নিজের দাড়ানোর জায়গা নেই, তারপর সাইড। পেছনে ফিরে দেখি আমার বয়সী বা একটু বেশিই হবে এক ভদ্রলোক। চুল গুলো কালো রং করা, সিথির মাঝখান থেকে সাদা লাইন দেখা যাচ্ছে। চুল আমার ও পাকা কিন্তু রং করা নয়, তাই বোধ হয় কাকু সম্মোধন।যাই হোক একটু জায়গা হতেই কোনো মত এক জায়গায় দাড়ানোর সুযোগ করে নিলাম। পাসে এসে সেই ভদ্রলোক দাড়ালেন।
একটু মুচকি হেসে ভদ্রলোক কে জিজ্ঞাস করলাম যে উনার সাথে একটা সেলফি তুলতে পারি কি না। একেই ভিড় ট্রেন, তরপর সেলফি! ভদ্রলোক অবাক হয়ে জানতে চাইলেন কেন আমার এই ইচ্ছে।
বললাম বাড়িতে আমার মেয়ে কে ছবিটা দেখিয়ে জানতে চাইব, আমাকে কি আপনার আঙ্কেলের বয়সী বলে মনে হচ্ছে?
Subscribe to:
Posts (Atom)