কাজের জন্য বেশ কিছু দিন ধরে অনেক রাত হচ্ছে ঘুমোতে যেতে। আজ কিছু না থাকাতে ভাবলাম এত দিনের ঘুম টা আজ পুষিয়ে নেব। এখানে ডেঙ্গু মশার খুব উপদ্রব তাই মশারি টাঙিয়ে শোয়ার অভ্যাস আমাদের, আর টাঙানোর দযিত্বটা আমার উপর। আজ আর ইচ্ছে করলো না। দশটার মধ্যে বিছিনায় লেপের মধ্যে পাচার করে দিলাম নিজেকে। একই দিল্লীর শীত তারপর এতদিনের আধা ঘুম। শোয়ার সাথে সাথে ঘুমের দেশে পাড়ি দিলাম।
কেমন এক অস্বস্থিতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। একটু গরম গরম লাগছে। বালিশের তলা থেকে মোবাইল টা বের করে দেখলাম রাত তিনটে বাজে। মোবাইল রেখে পাস ফিরে শুলাম। কানের কাছে পো পো পন পন শব্দ। হাথ দিয়ে তাড়ানোর চেষ্টা করলাম। সে কি যায়। বার বার ফিরে আসে। হবে না, খিদে পেয়েছে যে।
সে এক জ্বালা। মাথা ঢাকলে গরম লাগে, সরালে তার গান। বেশি নয়, একটাই এত বিরক্ত করতে পারে ভাবা যায় না। উঠে বসে হাথ পা ছুড়ে কত তাড়াবার চেষ্টা করলাম, মারতে চেষ্টা করলাম, পারলাম না। মোবাইল বের করে দেখলাম সরে চারটে বাজে। ঘুম তো গেল। এমনি শুয়ে থাকলাম। সে আর এলো না। একটা পুরনো শায়েরীর আদলে বলে উঠলাম, "ঘুম এলো তো তুমি এলে, কিন্তু তুমি আসাতে না ঘুম এলো না তুমি এলে"।
ঠিক করলাম মশারী ছাড়া আর নয়।
কেমন এক অস্বস্থিতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। একটু গরম গরম লাগছে। বালিশের তলা থেকে মোবাইল টা বের করে দেখলাম রাত তিনটে বাজে। মোবাইল রেখে পাস ফিরে শুলাম। কানের কাছে পো পো পন পন শব্দ। হাথ দিয়ে তাড়ানোর চেষ্টা করলাম। সে কি যায়। বার বার ফিরে আসে। হবে না, খিদে পেয়েছে যে।
সে এক জ্বালা। মাথা ঢাকলে গরম লাগে, সরালে তার গান। বেশি নয়, একটাই এত বিরক্ত করতে পারে ভাবা যায় না। উঠে বসে হাথ পা ছুড়ে কত তাড়াবার চেষ্টা করলাম, মারতে চেষ্টা করলাম, পারলাম না। মোবাইল বের করে দেখলাম সরে চারটে বাজে। ঘুম তো গেল। এমনি শুয়ে থাকলাম। সে আর এলো না। একটা পুরনো শায়েরীর আদলে বলে উঠলাম, "ঘুম এলো তো তুমি এলে, কিন্তু তুমি আসাতে না ঘুম এলো না তুমি এলে"।
ঠিক করলাম মশারী ছাড়া আর নয়।
No comments:
Post a Comment